আপনি “Busy থাকা” নিয়ে একটি লাভ স্টোরি চান—নিচে একটি ছোট, বাস্তবধর্মী গল্প দিলাম।
ব্যস্ততা ছিল রাহুলের পরিচয়—দিনে ক্লায়েন্ট মিটিং, রাতে কাজ, মাঝখানে শুধু নোটিফিকেশন আর ডেডলাইন। অনুরাধা কাজ করত হাসপাতালে; তারও সময় নেই, ঘুম কম, দায়িত্ব বেশি। দুজনের পরিচয় হয় একটি ভুল ডেলিভারি কলে—রাহুলের অর্ডার চলে যায় অনুরাধার নামে। “সরি” বলতে গিয়েই কথা বাড়ে, তারপর ছোট ছোট মেসেজ—“খেয়েছ?”, “ডিউটি কেমন চলছে?”, “আজ একটু ক্লান্ত লাগছে।”
দেখা করার সময় বের করা কঠিন ছিল। তাই তারা দেখা করত ১৫ মিনিটের জন্য—কফি শপ নয়, কখনও হাসপাতালের ক্যান্টিনে, কখনও মেট্রোর শেষ স্টপে। রাহুল শিখল ব্যস্ততার মধ্যেও কাউকে “সময় দেওয়া” মানে পুরো দিন দেওয়া নয়—মনোযোগ দেওয়া। অনুরাধা শিখল, ভালোবাসা মানে প্রতিদিন লম্বা কথা নয়—নিয়মিত খোঁজ নেওয়া।
একদিন রাহুল বড় প্রজেক্টের কারণে টানা এক সপ্তাহ যোগাযোগ করতে পারল না। অনুরাধা রাগ করেনি; শুধু একটা মেসেজ রেখে দিল—“Busy থাকো, কিন্তু হারিয়ে যেয়ো না।” সেদিন রাতে রাহুল বুঝল, সম্পর্ক টিকে থাকে কথার পরিমাণে নয়, উপস্থিতির গুণে। পরদিন সে ক্যালেন্ডারে প্রথমে একটা জিনিসই ব্লক করল—“অনুরাধা টাইম।”
অদিতি কলেজ প্রথম বছর এ পড়াশুনা করে আর ওর হবো স্বামী
অমৃত একজন খুব বড়ো নামি ব্যাবসায়ী ওনি গত এক বছর হল বেবসাতে জয়েন করল অদিতি রোজ কলেজ যায় ওর সময় মতো কাজ করে পড়াশুনা করে বাড়িতে আসে আর অমৃত সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কখনো কখনো ৯ টা বেজে যায় ওর বাড়ি আসতে
এমনি করে অনেকদিন যাওয়ার পর অদিতির বোদ হল অমৃত আগের মতো অদিতি কে সময় দেয় না সকালে কল করে না এমনকি রাতে করলেও সপ্তাহের মধ্যে এক দুই বার করে তাই অদিতি ও জোর করে কিছু বলে না
- Valentine’s Day Dinner Ideas Cook at Home Instead
- How to Celebrate Valentine’s Day in a Long Distance Relationship
- Celebrating Valentine’s Day a Day Late
- Valentine Day Flowers Smart Alternatives to Red Roses (That Feel More Personal)
- Valentine Day Isn’t Only for Couples Celebrate Love, Friendship, and Self-Care
তারপর একদিন অদিতির মনে হয় যে এখন কিছু বলতে হবে তারপর অদিতি আমৃতকে কল করেন ও আজ দেখা করতেই হবে বলে জেদ করেন তারপর অমৃত কাজ ফেলেই অদিতির কাছে ছোটে আসে অদিতি জিজ্ঞেস করেন তোমার যদি সময় না থাকে তাহলে আমায় রেখেছো কেনো সারাদিন কি একটুও সময় পাও না তুমি আমার খুজ নেওয়ার হঠাৎ অমৃত যেনো চমকে উঠলো ও বলল এসব কি বলছো তুমি তো জানো আমার এখন অনেক কাজের চাপ তাই তোমাকে সময় দিতে পারছি না অদিতির চুখে জল নিয়ে আবারও বলল আমি এসব জানি না যদি সময় না দাও তাহলে আমার সাথে আর কথা বলবে না এই কথা বলে অদিতি একদিকে ঘুরে বসে রইল তারপর অনেক কিছু বলে অমৃত বুঝিয়ে সরি বলে অদিতি কে বাড়ি নিয়ে যায় তারপর থেকে অমৃত প্রত্যেকদিন অদিতিকে ঠিক মতো সময় দিতে থাকে নিজের কাজের ফাকে ফাকে।।
এরপর থেকে তাদের মধ্যে ঝগড়াটা একটু কমই হয় একদিন অমৃত অদিতিকে কল করে খুব সকাল বেলা তখন ভোর ৫টা সে কল করেই বলে আজ আমি ফ্রি আছি চলো কোথাও ঘুরতে যাই অদিতির চুখে তখন খুব ঘুম কিছুই বলতে পারছে না ও ঠিক মত তাকাতে পারছে না অমৃত যা বলছে শুধু তাই শুনছে আর হম হম বলছে এভাবে সকাল৬ টা
পর্যন্ত কথা বলতে থাকল তারপর যখন অদিতি হম হম করা বন্ধ করল অমৃত বাধ্য হয়ে কলটা কেটে দিল তারপর আবার ৭ টার সময় কল করল তখনও অদিতির ঘুম হয়নি তারপরেও। ঘুমকে চেপে রেখে অদিতি কথা বলতে থাকল অমৃত জিজ্ঞেস করল আজ তুমি যাবে আমার সাথে কোথাও ঘুরতে অদিতি বলে আজ কেন কি আছে আজ
কেন সবসময় কি কিছু থাকতে হয় নাকি আমি আর তুমি একটু ঘুরতে যাব তাতে আবার occasion এর কি প্রয়োজন এমনিতেই যাব চল তাহলে আজ অদিতি কিছুক্ষন চুপ করে থেকে বলে ঠিক আছে চল কিন্তু কখন অমৃত বলে দুপূর ২ টোয় ঠিক আছে চল কিন্তু আজ এত সকাল সকাল কেন কল করলে অমৃত বলে আমি যদি প্রথমে না বলি তোমায় তাহলে তো তুমি মায়ের সাথে মন্দিরে চলে যাবে আর আসতে বিকেল করবে তাই প্রথমে জানিয়ে দিলাম আচ্ছা ভালো করেছ
এদিকে ৯ টা বেজে গেল অদিতির মা আবার ডাকতে লাগল অদিতিকে কিরে উঠবি নাকি আজ
কখন থেকে ঘুমাচ্ছিস কাল তো খুব তাড়াতাড়িই ঘুমিয়ে ছিলি
তাও আজকে এত দেরি কেনো অদিতি ফোন এ তাকিয়ে দেখে ওর মা ঠিকই বলেছে ৯ টা বেজে গেল অদিতি তাড়াতাড়ি উঠে নিজের বিছানা গুছিয়ে ব্রাশ করতে বাথরুম এ গেল তারপর স্নান করল তারপর মায়ের সাথে শিব মন্দিরে গিয়ে মায়ের সাথে পূজো দিল অন্য দিন অদিতি মায়ের সাথে বিকেল বেলা বাড়ি আসে কিন্তু আজ ও যাওয়ার কিছুক্ষন এর মধ্যেই বাড়ি চলে আসে কিন্তু অদিতি এর মা মন্দিরে থেকে যায় সেখানে মন্দিরের কিছু কাজ করে তারপর অদিতি বাড়িতে এসে দেখে দূপুর ১ টা বেজে গেল তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে বেরিয়ে পড়ল যাওয়ার জন্য তারপর তারা ঘুরতে গেল ফলে তাদের সম্পর্ক টা আরো মজবুত হল ও এভাবেই একজন আরেকজনের যত্ন নিতে থাকলো ও একে অপরকে ভালোবাসতে থাকল।।


Your article helped me a lot, is there any more related content? Thanks!
I don’t think the title of your article matches the content lol. Just kidding, mainly because I had some doubts after reading the article.
Your article helped me a lot, is there any more related content? Thanks!