ব্যর্থ প্রেম – ভালোবাসা,একটি বাস্তব জীবনের গল্প
ব্যর্থ প্রেম মানেই ভালোবাসার শেষ নয়, অনেক সময় তা জীবনের নতুন শুরু। কলেজে পড়ার সময় রাহুল নীরাকে সত্যিই ভালোবাসত। কিন্তু পরিবারের চাপ, আর্থিক অনিশ্চয়তা আর ভুল বোঝাবুঝির কারণে সম্পর্কটা টেকেনি। বিচ্ছেদের পর রাহুল ভেঙে পড়লেও ধীরে ধীরে নিজেকে গড়তে শেখে—কাজে মন দেয়, নিজের স্বপ্নকে গুরুত্ব দেয়। নীরা-ও এগিয়ে যায় নিজের পথে। বছর পরে দেখা হলে দুজনেই বুঝেছিল, ভালোবাসা কখনো কখনো মানুষকে কাছে নয়—মানুষকে পরিণত করে।
আজ আমি আপনাদেরকে একটা সত্যি ভালোবাসার গল্প শোনাবো যা অত্যন্ত দুঃখ ভরা । আমি একজনের জীবনের ব্যার্থ ভালোবাসার গল্প আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম ।
আমার জীবনে প্রথম প্রেম এসেছিল ক্লাস এইট এ । তবে সে প্রেম ছিল কিছু সময়ের জন্য । ভালোবাসা কী সেটা বোঝার আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল সেই ভালোবাসা ।
প্রেম কার জীবনে কখন আসবে কেউ বলতে পারে না । আমার জীবন কাটছিল বন্ধুদের সাথে মজা করে আর পড়াশুনা করে । আমি পড়াশুনায় ভাল ছিলাম । আমার এক বান্ধবী ছিল যে পড়াশুনাতে আমার থেকেও ভালো ছিল ।
দুজনে একই সঙ্গেই বড় হয়েছি । একই সঙ্গে পড়তে যাওয়া , গল্প করা ইত্যাদি ।
- Are You Interested in Alternative Dating?
- Do You Know the Pros and Cons of Adult Online Dating?
- Is Usasexguide Down For Everyone Or Simply Me? Examine Standing For Usasexguide Nl Now!
- a16z generative ai
- Top 20 Mysterious Facts About William Shakespeare That Will Surprise You
দেখতে দেখতে সময় ভালোই কাটছিল । আমরা ক্লাস নাইন এ ভালো রেজাল্ট করে ক্লাস টেন এ উঠলাম ।
আমার সব বন্ধুরা একসাথে বসতাম 3য়/ 4থ বেঞ্চে । ঐ বছর আমি আমার এক বন্ধুর ঘরে ইংলিশ পড়ার জন্য যাই একই টিচার এর কাছে । ওদের ওবস্থা খুব ভালো ছিল । ও ক্লাস নাইন থেকে ফোন ব্যবহার করত ।
আমি ক্লাস টেন এ উঠে সবে ফোন পেয়েছি Nokia c101 । ও আমার ঐ বান্ধবীকে ভালোবাসত , প্রোপোজ ও করেছিল ।
ওদের একে অপরের ঘরে যাতায়াত ছিল কারণ ওদের দুজনের বাবার মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব ছিল । একদিন ওদের বাড়িতে পড়তে গিয়ে দেখি স্যার আসেননি । আমি আর ও গল্প করছিলাম ।
কথায় কথায় ও আমাকে একটা ফোন নাম্বার দিয়ে বলল যে ” ঐ ফোন নাম্বার এ ফোন করে গালাগাল দিতে ” । আমি কার ফোন নাম্বার জিজ্ঞেস করতে বলল যে আমার ঐ বান্ধবীর ফোন নাম্বার ।
আমি জানতাম না যে ওরা একে অপরকে ফোন ও করত ।
একদিন ক্লাস করছি আমার এক বন্ধু ( তাকে আমরা লাভ গুরু বলতাম ) আমাকে বলল যে আমার দিকে একটা মেয়ে তাকিয়ে আছে । আমি তার দিকে তাকাতেই সে মুখ ঘুরিয়ে নিল । সে আর অন্য কেউ নয় আমার বান্ধবী ।
আমি ভেবেছিলাম ওর হয়ত কোন দরকার ছিল, কিন্ত না । এই ঘটনা প্রায়ই ঘটতে লাগল । আমার বন্ধুও এটা লক্ষ্য করেছিল , ও বলেছিল যে আমার বান্ধবী হয়ত আমাকে পছন্দ করে ।
আমি কথাটা হাসিতে উড়িয়ে দিয়েছিলাম কারণ ও ছিল আমার ভাল বান্ধবী । ও যদি কথাটা জানতে পারে হয়ত রাগ করবে ।
আসলে আমি ওকে আনেক ছোট থেকেই পছন্দ করতাম । তা ছাড়াও আমার একটা বন্ধু ওকে ভালোবাসত । ওরা একসাথে মাঝে মাঝেই গল্প করত । তাই ওসব কথা কোনদিনও ভাবিনি ।
একদিন পড়তে খুব বিরক্ত লাগছিল তাই কী করব ভাবছিলাম, হঠাত মনে পড়ল আমার বান্ধবীর ফোন নাম্বার তো আমার কাছে আছে ।
ফোন করব না sms করব সেটা ভাবছিলাম । অনেক ভাবার পর একটা sms করলাম, নাম বলিনি । অনেকক্ষণ পর sms এর একটা reply এল ।
তার পর sms চলতে লাগল । একদিন ও আমার নাম জিজ্ঞেস করেছিল । আমি আমার নাম বলিনি । শুধু বলেছিলাম আমার নাম s দিয়ে শুরু । তার পর কিছুদিন ঘন্টার পর ঘন্টা কথা হত sms এ ।
একদিন ক্লাস এ ওর এক বান্ধবী কে দিয়ে জিজ্ঞেস করাল যে আমি কী ওকে sms করি ? আমি বলেছিলাম না । এদিকে আমাদের sms এ কথাবলা চলতে থাকল ।
এইভাবে অনেক দিন কেটে গেছে । একদিন ঘরের বাইরে এসে ওকে ফোন করি , বাড়িতে সাবাই ঘুমিয়ে পড়েছিল ( তখন বাজে 10.00 pm / 11.00 pm ) । ফোন ধরল , ওদিক থেকে যখন উত্তর এল তখন আমি ভয়েতে ফোন রেখে দিলাম ।
আমি ভেবেছিলাম ওর দিদি হয়ত ফোন রিসিভ করেছে । ও ঘুরিয়ে ফোন করেছিল । অমি ফোন রিসিভ করি, ও আমার নাম জানতে চাইল । আমি অনেক পরে আমার নাম বলি । ও তখন বলেছিল ” তুই ? ” ।
আনেক কথা বলার পর আমি ওকে প্রোপোজ করেছিলাম । ও কোন উত্তর না দিয়ে , রাখছি বলে ফোন রেখে দিয়েছিল ।
পরদিন আমি খুব ভয়ে স্কুল গিয়েছিলাম । লজ্জায় আমি ওর দিকে তাকাই নি । দুদিন দুজনের কোন কথা হয়নি । তার পর আমি ওকে উত্তরটা জানতে চেয়েছিলাম । ও direct না বলে দিয়েছিল ।
আমি কারনটা জানতে চেয়েছিলাম, ও বলেছিল ” ওর একটা অসুখ আছে ” । আমি বলেছিলাম ” আমি তাও তোকে ভালোবাসি ” । ও আরও অনেক কারণ দেখিয়েছিল , তার পরেও আমার উত্তর ছিল ” আমি তবুও তোকে ভালোবাসি ” ।
তার কিছুদিন পর ও হ্যাঁ বলেছিল । সেদিন আমরা খুব কেঁদেছিলাম ।

এরপর আমাদের ভালোবাসার জীবন শুরু হল । এক সাথে গল্প করা , মাঝে মাঝে ঘুরতে যাওয়া । ওর পিসির বাড়ি গিয়ে গল্প করা ।
এভাবে বেশ ভাল ভাবেই কাটছিল সময় । আমাদের ব্যাপারে কিছু কিছু জানত যেমন ওর দিদি , পিসি ইত্যাদি ।
এক বিশেষ কারণে ওর বাবা আর আমাদের পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক ভাল ছিল না ।
কিন্ত ওর মা , দিদি আমার সাথে ভাল কথাবার্তা হত । আমার মা বাবাও ওর সাথে ভাল ভাবেই কথাবার্তা হত ।
কিন্ত দুজনের পরিবারের কেউ আমাদের ব্যাপারে জানত না শুধু ওর দিদি ছাড়া ।
দেখতে দেখতেই আমরা মাধ্যমিক পাস করলাম । কিন্ত ওর রেজাল্ট একটু খারাপ হল । আমি ওকে শান্তনা দিলাম ।
কিন্ত মনে মনেই আমি খুব কষ্ট পেলাম এই ভেবে যে এর জন্য একমাত্র আমিই দোষী । এরকম যেন আর না হয় তাই আমি ওর জীবন থেকে দূরে সরে যাব ভেবেছিলাম ।
কিন্ত পারিনি কারণ আমি ওকে খুব ভালোবেসে ফেলেছিলাম । দিন দিন ও পড়াশুনায় খারাপ হতে লাগল । এদিকে আমার কষ্টের বোঝা আরো বাড়তে লাগল ।
আমি ওর সাথে নানা কারণে ঝগড়া করতে লাগলাম , মাঝে মাঝে গালাগাল ও দিতাম । যাতে ও আমার উপর ঘৃণা করে ও আমার থেকে দূরে সরে যায় । যাতে ও মন দিয়ে পড়াশুনা করতে পারে ।
কিন্ত ও খুব কষ্ট পেত । আমি ওর কষ্ট সহ্য করতে পারতাম না । আমি ওকে খুব ভালোবাসতাম তাই ওর কাছে আবার ফিরে যেতাম ।
একদিন ও জানায় যে ওর বাবা নাকি আমাদের ব্যাপারে জানতে পেরেছে ।
এরপর ওকে নাকি নানান ভাবে মানসিক চাপ দিচ্ছে , ওর পড়াশুনার টাকাও নাকি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে । এটা শুনে আমার খুব খারাপ লাগল ।
আমার জন্য ওর জীবন নষ্ট হয়ে যাবে এটা আমি কোন দিনও চাইনা । ওর দিদি ওকে ওনেক ভাবে সাহায্য করেছিল ওই সময়ে । কিন্ত সারাজীবন তো ওকে সাহায্য করতে পারবে না ।
সামনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা , এবার যদি ও খারাপ রেজাল্ট করে তাহলে ওর জীবন নষ্ট হয়ে যাবে ।
আর তার জন্য দয়ি হব একমাত্র আমিই । তাই আমি ঠিক করলাম ওর জীবন থেকে দূরে সরে যাব । এতে আমার খুব কষ্ট হবে ঠিকই কিন্ত ওর তো ভাল হবে ।
তবে সব ঠিক হয়ে গেলে ওর কাছে আবার ফিরে আসব ভেবেছিলাম । সামনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা এখন যদি ওর থেকে দূরে সরে যাই ওর খুব খারাপ লাগবে তাতে ওর রেজাল্ট আরও খারাপ হবে ।
আর তাছাড়া এই সময় আমাকে ওর পাশে থাকা দরকার । এই ভেবে তখন আর কিছু বলা হয়নি ।
আমাদের আরও সুন্দর সুন্দর গল্প ও কবিতা পড়তে এখানে ক্লিক করুন
যদি আমাদের সাথে শেয়ার করতে চান তো এখানে ক্লিক করুন
দেখতে দেখতে আমাদের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হয়ে গেল, রেজাল্টও বার হয়ে গেল । এবারও ওর রেজাল্ট খারাপ হল ।
এতে ওর বাবা আরও বকাবকি করতে লাগল । এরপর দুজনেই কলেজে ভর্তি হয়ে যাই । ও আমার থেকে অনেক দূরের একটা কলেজে ভর্তি হয় । দুরত্ব বেড়েছিল কিন্ত আমাদের ভালোবাসা কমেনি ।
আমি লক্ষ্য করলাম ও সেখানেও পড়াশুনা করছে না । তাই এবার সত্যি ওর থেকে দূরে সরে যাব ঠিক করলাম ।
একদিন ওকে উল্ট পাল্টা গালাগাল দি আর ওর উপর দোষ দিয়ে ওর সাথে break up করে নি । তবে সব ঠিক হয়ে গেলে ওর কাছে আবার ফিরে আসব ভেবেছিলাম ।
আমারা দুজন ওদিন খুব কেঁদেছিলাম । আর আমি কষ্ট সহ্য করতে না পেরে ওদিন খুব drinks করেছিলাম । কারণ আমি ওকে খুব ভালোবাসতাম । এরপর 2 দিন ও আমাকে অনেক sms আর ফোন করেছিল ।
আমি ওর নাম্বার Block করে দিয়েছিলাম , যাতে ও ঘৃণা করে । আর ও সত্যিই তা করেছিল ।
এক সপ্তাহ পর আমি ওর নাম্বার unblock করে দিয়েছিলাম । ও তার পর আর কোনদিন sms বা call কিছুই করেনি । আর আমি ও লজ্জায় sms বা call কিছুই করতে পারিনি ।
অনেক দিন পর আমি ওকে sms করেছিলাম , কিন্ত ও আমার নাম্বার চিনতেই পারেনি । আমি ভাবতেই পারিনি ও এতো সহজে আমাকে ও আমার ভালবাসাকে ভুলে যাবে । আমার স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল ।
পরে শুনেছিলাম আমার break up এর পর ও একটা ছেলেকে প্রোপোজ করেছিল । ওরা এখন খুব সুখে আছে ।
আমি আর ওদের দুজনের মধ্যে কোন দিনও যাইনি । কারণ আমি শুনেছিলাম সার্থত্যাগই প্রকৃত ভালোবাসা । আর ও খুশি আছে এটাই আমার কাছে আনেক ।
ওর স্মৃতি আজও আমাকে কাঁদায়, হাসায় আর ভাবায় । আর আমার স্বপ্নগুল পূরণ করি ডাইরির পাতাতে ।
ওর নাম্বার আজও আমার ফোনে সেভ করা আছে । আমি আজও সময় পেলেই ওর Whatsapp আর Facebook এর profile চেক করে দেখি ।


I don’t think the title of your article matches the content lol. Just kidding, mainly because I had some doubts after reading the article.
Thanks for sharing. I read many of your blog posts, cool, your blog is very good.
Thanks for sharing. I read many of your blog posts, cool, your blog is very good.
Your point of view caught my eye and was very interesting. Thanks. I have a question for you.